প্রকাশিত নির্দেশিকা থেকে নেওয়া সাধারণ তথ্য, আপনার শিশুর রোগনির্ণয় বা চিকিৎসা পরামর্শ নয়। দুশ্চিন্তা হলে, এই পেজে যা-ই লেখা থাকুক, আপনার ডাক্তার, মিডওয়াইফ বা স্থানীয় স্বাস্থ্য হেল্পলাইনে ফোন করুন। জরুরি অবস্থায় 999-এ ফোন করুন।
শান্ত করার চেকলিস্ট
ধাপ 1, মোট 8
খিদে?
মুখ ঘুরিয়ে দুধ খোঁজা, হাত মুখে দেওয়া বা ঠোঁট চুকচুক করা দেখুন। বুকের দুধ খাওয়ালে, শেষবার খাওয়ার পর বেশিক্ষণ না হলেও বুক দিন।13
ধাপ 2, মোট 8
ডায়াপার?
ডায়াপার ভেজা বা পায়খানা হয়েছে কিনা দেখুন, আর ডায়াপারের ট্যাব বা জামা বেশি টাইট কিনা।16
ধাপ 3, মোট 8
বেশি গরম বা ঠান্ডা?
ঘাড়ের পেছনে বা পেটে হাত দিয়ে দেখুন। ঘামলে এক পরত কাপড় খুলুন, ঠান্ডা লাগলে এক পরত বাড়ান। হাত-পা সাধারণত একটু ঠান্ডাই থাকে, ওতে বেশি কিছু বোঝা যায় না।19
ধাপ 4, মোট 8
পেটে গ্যাস?
শিশুকে কাঁধে খাড়া করে বা কোলে বসিয়ে এক-দুই মিনিট আলতো করে পিঠে চাপড় দিন বা হাত বুলান।134
ধাপ 5, মোট 8
ক্লান্ত?
ক্লান্তি কান্নার সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলোর একটি। আলো কমান, শব্দ কমান, আর দোল দিয়ে, চুষনি দিয়ে, বা শিশু এখনও না গড়ালে টানটান করে কাঁথায় মুড়িয়ে দেখুন।123
ধাপ 6, মোট 8
আপনাকে চাইছে?
খালি গায়ে বুকে জড়িয়ে রাখা (স্কিন-টু-স্কিন), বেবি ক্যারিয়ার, ধীরে হাঁটা, আলতো করে শশশ শব্দ বা একটানা হোয়াইট নয়েজ, সবই কাজে দিতে পারে।1235
ধাপ 7, মোট 8
অন্য কিছু?
হাত বা পায়ের আঙুলে চুল শক্ত করে পেঁচিয়ে আছে কিনা, কাপড় ঘষা লাগছে কিনা, বা অসুস্থতার কোনো লক্ষণ আছে কিনা দেখুন। শিশুর তাপমাত্রা মাপুন।16
ধাপ 8, মোট 8
তবুও কাঁদছে?
কিছু কান্না থামানো যায় না, আর সেটা আপনার দোষ নয়। শিশুকে নিরাপদে খাটে চিত করে শুইয়ে দরজা বন্ধ করে কয়েক মিনিট নিজেকে সময় দিন। প্রতি 5-10 মিনিটে শিশুকে দেখে আসুন। পারলে বিশ্বাসের কাউকে ডেকে দায়িত্ব দিন।1357
এই কান্না কি চিন্তার?
সাধারণ লক্ষণ, আর নির্দেশিকা অনুযায়ী কী করবেন
নির্দেশিকা: এখনই 999-এ ফোন করুন
এই বয়সে জ্বর হলে সবসময় সঙ্গে সঙ্গে দেখানো দরকার: 999-এ ফোন করুন বা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। জ্বর ছাড়া শিশুকে আর সব দিক থেকে ভালো মনে হলে, এর বদলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের জরুরি নম্বরে বা স্থানীয় স্বাস্থ্য হেল্পলাইনে ফোন করতে পারেন।1814
নির্দেশিকা: এখনই 999-এ ফোন করুন
দুর্বল, তীক্ষ্ণ বা একটানা কান্না, বা যে কান্না শিশুর স্বাভাবিক কান্নার মতো শোনায় না, তা গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে। এখনই 999-এ ফোন করুন বা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।348
সবুজ বমি মানে অন্ত্র আটকে যাওয়া হতে পারে, যার দ্রুত চিকিৎসা দরকার। এখনই হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।1011
নির্দেশিকা: এখনই চিকিৎসা পরামর্শ নিন
শিশু হয়তো যথেষ্ট তরল পাচ্ছে না। এখনই ডাক্তারকে ফোন করুন।310
নজর রাখুন, লিখে রাখুন
যে শিশু ভালো খায় আর ঠিকমতো বাড়ছে, তার এমন কান্না কলিক নামে পরিচিত ধরনের সঙ্গে মেলে: সাধারণ, ক্লান্তিকর, আর সাধারণত ক্ষতিকর নয়। পরের ভিজিটে ডাক্তারকে জানান, আর আপনি সামলাতে না পারলে আরও আগেই।24
Ella-তে খাওয়ানো, ঘুম আর ডায়াপার লিখে রাখুন, আর খুঁজে বের করুন খিটখিটে সময়ের পেছনে কী আছে।Ella খুলুন
এখনই চিকিৎসা নিন, যদি
শিশুর কান্না দুর্বল, তীক্ষ্ণ বা স্বাভাবিকের চেয়ে একদম আলাদা48
শিশুর বয়স 3 মাসের কম আর তাপমাত্রা 38°C বা তার বেশি18
শিশু নেতিয়ে পড়েছে, খুব ঝিমিয়ে আছে বা জাগানো কঠিন38
শিশু অনেক কম খাচ্ছে বা ভেজা ডায়াপার অনেক কমে গেছে83
আজই ডাক্তার বা স্বাস্থ্যকর্মীকে ফোন করুন, যদি
কান্না দিনে 3 ঘণ্টার বেশি চলে আর কিছুতেই কাজ হয় না, বা আপনার দুশ্চিন্তা হয়24
আপনার পক্ষে সামলানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আপনার ডাক্তার, মিডওয়াইফ বা স্বাস্থ্যকর্মী সাহায্য করতে পারেন34
শিশুর শ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে, শরীর নীল বা ধূসর হয়ে গেলে, নেতিয়ে পড়লে বা কিছুতেই জাগানো না গেলে এখনই 999-এ (জাতীয় জরুরি সেবা) ফোন করুন।
বিস্তারিত
কান্নার স্বাভাবিক ধারা
সুস্থ শিশুর কান্না প্রায় 2 সপ্তাহ বয়স থেকে বাড়তে থাকে, 6-8 সপ্তাহের দিকে সবচেয়ে বেশি হয়, আর 3-4 মাসে অনেকটা কমে যায়। কান্নার এই স্বাভাবিক চূড়াই National Center on Shaken Baby Syndrome-এর Period of PURPLE Crying® প্রোগ্রামের মূল বিষয়; এই প্রোগ্রামের সঙ্গে Ella-র কোনো সম্পর্ক নেই। কান্না প্রায়ই বিকেল আর সন্ধ্যায় সবচেয়ে বেশি হয়, আর কখনো কখনো কিছুতেই কাজ হয় না। এই ধারা জানলে কান্না থামবে না, কিন্তু জানা থাকে যে এটা একদিন শেষ হবে।
ডাক্তাররা প্রায়ই তিনের নিয়ম ব্যবহার করেন: অন্যথায় সুস্থ ও ঠিকমতো বাড়ছে এমন শিশুর সপ্তাহে 3 দিনের বেশি, দিনে 3 ঘণ্টার বেশি কান্না। কলিক সাধারণত 2-3 সপ্তাহে শুরু হয়, আর 3-4 মাসে কমে যায়। আপনার কোনো কাজের কারণে এটা হয় না।
একটানা কান্না ক্লান্ত করে দেয়, আর রাগ বা অসহায় লাগলেই আপনি খারাপ বাবা বা মা হয়ে যান না। সামলাতে না পারলে শিশুকে নিরাপদ খাটে চিত করে শুইয়ে দরজা বন্ধ করে একটু বিরতি নিন। শিশুকে ঝাঁকালে, এক সেকেন্ডের জন্য হলেও, মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাত লাগতে পারে। শিশুর দেখাশোনা যাঁরা করেন, তাঁরা সবাই যেন এটা জানেন।
বেশিরভাগ কলিকের ড্রপ আর গ্রাইপ ওয়াটারের পক্ষে প্রমাণ খুব কম। কোনো ওষুধ চেষ্টা করার আগে, ফর্মুলা বদলানোর আগে, বা বুকের দুধ খাওয়ালে নিজের খাবার থেকে কিছু বাদ দেওয়ার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।
নিজের বা শিশুর ক্ষতি করার চিন্তা আসা একটি জরুরি অবস্থা: এখনই 999-এ ফোন করুন। প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা খুব সাধারণ আর চিকিৎসায় সারে, আর বাবা ও সঙ্গীদেরও এটা হতে পারে। 2 সপ্তাহের বেশি মন খারাপ, আশাহীন বা দুশ্চিন্তা লাগলে শিগগিরই ডাক্তার, মিডওয়াইফ বা স্বাস্থ্যকর্মীর সঙ্গে কথা বলুন।
প্রথম 3 মাসে দিনে মোট প্রায় 1-3 ঘণ্টা কান্না সাধারণ, 6-8 সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি। এর চেয়ে অনেক বেশি, বা অন্যরকম শোনানো কান্না হলে ডাক্তারকে দেখিয়ে নেওয়া ভালো।267
বেশি কোলে নিলে কি নবজাতকের অভ্যাস খারাপ হয়?
না। নবজাতককে বেশি কোলে নিয়ে নষ্ট করা যায় না। কোলে নিয়ে আদর করলে শিশু নিরাপদ বোধ করে, আর প্রায়ই কান্না কমে।6
এটা কলিক, নাকি রিফ্লাক্স?
কলিক হলো অন্যথায় সুস্থ শিশুর লম্বা সময় ধরে কান্না। রিফ্লাক্স মানে দুধ উঠে আসা। যে শিশু বেশিরভাগ খাওয়ার সময় বা পরে কাঁদে আর পিঠ বাঁকায়, খেতে চায় না বা যার ওজন বাড়ে না, তাকে ডাক্তার দেখাতে হবে।134
আমার শিশু প্রতি সন্ধ্যায় কেন কাঁদে?
প্রথম কয়েক মাসে সন্ধ্যায় খিটখিটে থাকা খুবই সাধারণ, প্রায়ই বিকেলের শেষ দিকে আর সন্ধ্যায় সবচেয়ে বেশি। শিশু তখন অতিরিক্ত উত্তেজিত থাকতে পারে, বা এমনিই খিটখিটে সময় চলতে পারে। শান্ত, কম আলোর রুটিন আর অনেকটা সময় কোলে রাখা সাধারণত সাহায্য করে।123
Ella
খিটখিটে ভাবের পেছনের ধরন দেখুন
খাওয়ানো, ঘুম আর ডায়াপার Ella-তে লিখে রাখুন, আর পুরো দিনটা এক স্ক্রিনে দেখুন। রাতের পালা ভাগ করে নিন: বাবা-মা দুজনেই একই ডায়েরি সঙ্গে সঙ্গে দেখতে পান।
নির্দেশিকা দেশভেদে আলাদা হতে পারে। যেখানে আলাদা, সেখানে আমরা দুটোই দেখাই। আপনার নিজের ডাক্তার বা স্বাস্থ্যসেবার পরামর্শ মেনে চলুন।
৮ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে বর্তমান নির্দেশিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে। এটি সাধারণ তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। AAP, NHS, NICE, WHO ও CDC-এর প্রকাশিত নির্দেশিকা থেকে এটি লিখেছে Muchita AI-এর Ella টিম। খসড়া লেখা ও অনুবাদে AI-এর সহায়তা নেওয়া হয়েছে, আর আমাদের টিম তা ওই তথ্যসূত্রগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো এই পেজটি পর্যালোচনা বা অনুমোদন করেনি। এটি সাধারণ তথ্য, রোগনির্ণয় বা চিকিৎসা পরামর্শ নয়। শিশুকে নিয়ে দুশ্চিন্তা হলে নিজের মনের কথা শুনুন এবং ডাক্তারকে ফোন করুন।